All products
Saltwater Aquarium Supplies
Freshwater Aquarium Supplies


Bucephalandra Brownie Helena হলো একটি দুর্লভ ও কালেক্টর গ্রেড জলজ উদ্ভিদ, যা প্রথম সংগ্রহে আসে ২০১২ সালের দিকে। এই প্রজাতিটি ছোট, ঢেউ খেলানো পাতা এবং গাঢ় বাদামি-সবুজ রঙের জন্য পরিচিত। আলো ও পানির অবস্থান অনুযায়ী পাতায় নীলচে বা মেটালিক আভা দেখা যায়, যা একে আরো দৃষ্টিনন্দন করে তোলে।
এই উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে বাড়ে এবং রাইজোম থেকে নতুন পাতা উৎপন্ন করে। এটি কখনোই সরাসরি সাবস্ট্রেটে রোপণ করা উচিত নয়, কারণ এতে রাইজোম পচে যেতে পারে। সাধারণত এটি কাঠ, পাথর বা অন্য কোনো হার্ডস্কেপে গ্লু বা সুতা দিয়ে লাগিয়ে রাখা হয়। এটি কম আলো ও CO₂ ছাড়াও সহজেই টিকে থাকে, ফলে লো-টেক এবং হাই-টেক উভয় ট্যাংকের জন্যই উপযুক্ত।
Bucephalandra Brownie Helena হলো একটি দুর্লভ ও কালেক্টর গ্রেড জলজ উদ্ভিদ, যা প্রথম সংগ্রহে আসে ২০১২ সালের দিকে। এই প্রজাতিটি ছোট, ঢেউ খেলানো পাতা এবং গাঢ় বাদামি-সবুজ রঙের জন্য পরিচিত। আলো ও পানির অবস্থান অনুযায়ী পাতায় নীলচে বা মেটালিক আভা দেখা যায়, যা একে আরো দৃষ্টিনন্দন করে তোলে।
এই উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে বাড়ে এবং রাইজোম থেকে নতুন পাতা উৎপন্ন করে। এটি কখনোই সরাসরি সাবস্ট্রেটে রোপণ করা উচিত নয়, কারণ এতে রাইজোম পচে যেতে পারে। সাধারণত এটি কাঠ, পাথর বা অন্য কোনো হার্ডস্কেপে গ্লু বা সুতা দিয়ে লাগিয়ে রাখা হয়। এটি কম আলো ও CO₂ ছাড়াও সহজেই টিকে থাকে, ফলে লো-টেক এবং হাই-টেক উভয় ট্যাংকের জন্যই উপযুক্ত।
All products
Saltwater Aquarium Supplies
Freshwater Aquarium Supplies


Bucephalandra Brownie Helena হলো একটি দুর্লভ ও কালেক্টর গ্রেড জলজ উদ্ভিদ, যা প্রথম সংগ্রহে আসে ২০১২ সালের দিকে। এই প্রজাতিটি ছোট, ঢেউ খেলানো পাতা এবং গাঢ় বাদামি-সবুজ রঙের জন্য পরিচিত। আলো ও পানির অবস্থান অনুযায়ী পাতায় নীলচে বা মেটালিক আভা দেখা যায়, যা একে আরো দৃষ্টিনন্দন করে তোলে।
এই উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে বাড়ে এবং রাইজোম থেকে নতুন পাতা উৎপন্ন করে। এটি কখনোই সরাসরি সাবস্ট্রেটে রোপণ করা উচিত নয়, কারণ এতে রাইজোম পচে যেতে পারে। সাধারণত এটি কাঠ, পাথর বা অন্য কোনো হার্ডস্কেপে গ্লু বা সুতা দিয়ে লাগিয়ে রাখা হয়। এটি কম আলো ও CO₂ ছাড়াও সহজেই টিকে থাকে, ফলে লো-টেক এবং হাই-টেক উভয় ট্যাংকের জন্যই উপযুক্ত।
Bucephalandra Brownie Helena হলো একটি দুর্লভ ও কালেক্টর গ্রেড জলজ উদ্ভিদ, যা প্রথম সংগ্রহে আসে ২০১২ সালের দিকে। এই প্রজাতিটি ছোট, ঢেউ খেলানো পাতা এবং গাঢ় বাদামি-সবুজ রঙের জন্য পরিচিত। আলো ও পানির অবস্থান অনুযায়ী পাতায় নীলচে বা মেটালিক আভা দেখা যায়, যা একে আরো দৃষ্টিনন্দন করে তোলে।
এই উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে বাড়ে এবং রাইজোম থেকে নতুন পাতা উৎপন্ন করে। এটি কখনোই সরাসরি সাবস্ট্রেটে রোপণ করা উচিত নয়, কারণ এতে রাইজোম পচে যেতে পারে। সাধারণত এটি কাঠ, পাথর বা অন্য কোনো হার্ডস্কেপে গ্লু বা সুতা দিয়ে লাগিয়ে রাখা হয়। এটি কম আলো ও CO₂ ছাড়াও সহজেই টিকে থাকে, ফলে লো-টেক এবং হাই-টেক উভয় ট্যাংকের জন্যই উপযুক্ত।